30 C
Dhaka

আঙ্গুলবিহীন ও স্বাভাবিকের চেয়ে বড় মাথার শিশুর জন্ম

প্রকাশিত:

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে হাত-পায়ের আঙ্গুলবিহীন ও স্বাভাবিকের চেয়ে বড় মাথার এক কন্যা শিশুর জন্ম হয়েছে। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে মোসাঃ সুমাইয়া আক্তার। সম্প্রতি উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ঘটকের আন্দুয়া গ্রামে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের মো. জামাল সিকদারের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে শিশুটির জন্ম দেন। তাদের নিজ বাড়িতে জন্ম নেওয়া শিশুটি অসুস্থ থাকলেও তার মা সুস্থ আছেন।

সোনিয়া ও জামাল দম্পতি জানান, সোনিয়া যখন সাত মাসের গর্ভবতী তখন চিকিৎসক আল্ট্রাসনোগ্রাফি করেছেন। তখন দুই হাত ও পাঁয়ের আগুল যে জোড়া লাগানো আছে সে ব্যাপারে চিকিৎসক কিছু বলেননি। গত ১৫ আগস্ট সোনিয়ার প্রসব বেদনা উঠলে গ্রামের বাড়িতে নার্স নিয়ে এসে কোনো প্রকার অপারেশন ছাড়াই নরমাল ডেলিভারিতে শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের পর থেকে শিশুর হাত ও পায়ের আঙ্গুল ছিল না। তবে খুবই ছোট আকারের আঙ্গুল দেখা গেলেও তা জোড়া লাগানো। পরে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা হলে তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার দরকার।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ তেন মং জানান, হাত ও পায়ের আঙ্গুল জোড়া লাগানো শিশুটির জেনেটিক সমস্যা হতে পারে। আবার গর্ভকালীন সময়েও কোনো সমস্যা হতে পারে। তবে শিশুটি বড় হলে আঙ্গুলগুলো অপারেশন করলে সমস্যার সমাধান হবে। আর মাথার ভিতরে পানি জমে থাকলে মাথার আকৃতি স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়ে থাকে। শিশুটি সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সেরে উঠতে পারে। হাত-পায়ের আঙ্গুলবিহীন নবজাতক কন্যা সন্তানকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে তার পরিবার।

কন্যা শিশুটির নানা সুলতান হাওলাদার বলেন, আমার মেয়ে অসহায়। নিজেদের কোনো জমি-জমা নেই। অন্যের বাড়িতে থাকে। নাতির চিকিৎসার জন্য অন্যের কাছে হাত পাততে হচ্ছে। ডাক্তারের কাছে চিকিৎসার জন্য গেলে ডাক্তার বলেছেন, এই চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। আমার মেয়ের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না। আমি সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তবানদের সহোযোগিতা কামনা করছি।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ খবর

spot_img