30 C
Dhaka

চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে ২ সংবাদকর্মীকে মারধর

প্রকাশিত:

সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে ‘আইনজীবীদের মারধরের’ শিকার হয়েছেন দুই সংবাদকর্মী। বুধবার বিকেলের এ ঘটনায় আহত হন বেসরকারি যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার আল আমিন সিকদার এবং ক্যামেরাপারসন আসাদুজ্জামান লিমন।

খবর পেয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান অন্য সাংবাদিকরা। এ ঘটনায় বুধবার সন্ধ্যায় ও রাতে পৃথক দুটি জরুরি সভা করেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) ও টিভি ইউনিটের নেতারা। জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

হামলার শিকার দুই সংবাদকর্মী জানান, সংবাদ সংগ্রহের জন্য বিকেলে তাঁরা আদালত চত্বরে যান। এ সময় তাঁদের ওপর হামলা চালান কয়েকজন আইনজীবী। এর প্রতিবাদ জানালে তাঁদের আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ে নিয়ে লাথি ও কিল-ঘুসি মারতে থাকেন ১০ থেকে ১৫ জন। খবর পেয়ে অন্য সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এএইচএম জিয়াউদ্দিন সমকালকে বলেন, প্রাথমিকভাবে আমি জেনেছি আদালত চত্বর দিয়ে ওঠার সময় যমুনা টিভির একটি গাড়ি থেকে বেশ কয়েকবার হর্ন বাজানো হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকজন আইনজীবী প্রতিবাদ করেন। একপর্যায়ে আইনজীবী ও সাংবাদিকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সাংবাদিকদের কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে কয়েকজন আইনজীবী মারধরও করেন।

এটি দুঃখজনক। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে এরই মধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। ঘটনা তদন্তে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটি যার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ পাবে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যমুনা টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান জামশেদুর রহমান বলেন, একটি ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে আমাদের টিম আদালতে গিয়েছিল। কিন্তু হামলার শিকার হয়ে তারা আর সেখানে পৌঁছাতে পারেনি।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, ঘটনাটি ন্যক্কারজনক। কোনো কারণ ছাড়াই দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

সিইউজের টিভি ইউনিটের প্রধান মাসুদুল হক বলেন, ঘটনার পর আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলেছি। দোষীদের শাস্তি পেতেই হবে।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ খবর

spot_img