18 C
Dhaka

চার বছর পর মালয়েশিয়ায় কাজের সুযোগ, শ্রমিক নিবন্ধন যেভাবে করবেন

প্রকাশিত:

চার বছর বাংলাদেশ থেকে কোনো কর্মী নেয়নি মালয়েশিয়া। অবশেষে আবার দেশটি বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ থেকে কৃষক, গৃহনির্মাণ শ্রমিক, গৃহপরিচারিকা, মালি, খনি শ্রমিক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিতে চায় মালয়েশিয়া।

ইতোমধ্যে শ্রমিক নিবন্ধন শুরু হয়ে গেছে। ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নিবন্ধন করতে পারবেন। মালয়েশিয়ায় কাজে আগ্রহী প্রতিটি শ্রমিককে আবশ্যিকভাবে বাংলাদেশের জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত হতে হবে।

সরকার অনুমোদিত ‘আমি প্রবাসী’ নামের অ্যাপ ব্যবহার করে নিবন্ধন করা যাবে। এছাড়া সারাদেশের জেলায় জেলায় জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ৪২টি কার্যালয় ছাড়াও ১১টি সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সরাসরি হাজির হয়ে আগ্রহীরা নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। এজন্য প্রয়োজন হবে ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর, পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পাসপোর্ট, ই-মেইল (যদি থাকে) ও দক্ষতা সনদ (যদি থাকে)। কেন্দ্রে গিয়ে নিবন্ধনের সময় আঙুলের ছাপ দিতে হবে।

নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। তবে ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করলে ২০০ টাকা নিবন্ধন ফিয়ের সঙ্গে অ্যাপের সার্ভিস চার্জ বাবদ আরও ১০০ টাকা বাড়তি দিতে হবে। নিবন্ধন সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর কর্মীর সরবরাহকৃত মোবাইল ফোন নম্বরে এসএমএস পৌঁছে যাবে।

নিবন্ধনের মেয়াদ থাকবে দুই বছর। এই সময়ের ভেতর তথ্য হালনাগাদ ও সংশোধন করা যাবে।

আগ্রহী প্রার্থীকে নূন্যতম ইংরেজির অক্ষর জ্ঞানসম্পন্ন হতে হবে। মালয় ভাষার জ্ঞান অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে মালয় ভাষার জ্ঞান জানা অত্যাবশ্যক নয়। কোন খাতে কাজ করতে আগ্রহী নিবন্ধনের সময় তা উল্লেখ করতে হবে কর্মীকে।

নিয়োগ প্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত কর্মীদের তথ্য দেখতে পারবে। কর্মীর যোগ্যতা, বয়স ও ছবি দেখে কত সংখ্যক কর্মী নিতে চায় তা জানানোর পর নিবন্ধনকৃত যোগ্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে নাম পাঠানো হবে রিক্রুটিং এজেন্সির কাছে।
তারা কর্মী বাছাই করে নির্দিষ্ট কাজের জন্য শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করবে। বাংলাদেশ অংশের স্বাস্থ্য পরীক্ষার খরচ কর্মীকেই বহন করতে হবে।

নিয়োগ চূড়ান্ত হওয়ার পর ভিসার আবেদন পাঠাবে এজেন্সি। নিয়োগ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিমান টিকেট পাঠানো হবে মালয়েশিয়া থেকে। মালয়েশিয়া পৌঁছানোর পর বাংলাদেশি কর্মীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার যাবতীয় খরচ ছাড়াও ইনস্যুরেন্স সংক্রান্ত খরচ, আবাসন, বীমা, চিকিৎসা ইত্যাদি সব খরচও বহন করবে নিয়োগ প্রতিষ্ঠান।

সম্পর্কিত সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ

spot_img