27 C
Dhaka

জাপোরিজঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হবে: পুতিন

প্রকাশিত:

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, জাপোরিজঝিয়া পারমাণবিকবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সফর ও পরিদর্শনে জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের অনুমতি দেওয়া হবে। পুতিন ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মধ্যে ফোনালাপের পর ক্রেমলিন এ ঘোষণা দেয়। খবর বিবিসির।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে লড়াই অব্যাহত রয়েছে— এমন দাবির পর এ ঘোষণা এলো। বলা হচ্ছে, সেখানে রুশ গোলার আঘাতে চারজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।

ম্যাক্রোঁ ও পুতিনের ফোনালাপের পর ক্রেমলিন বলছে, প্রেসিডেন্ট পুতিন জাপোরিজঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকা পরিদর্শনে জাতিসংঘের তদন্তকারীদের ‘প্রয়োজনীয় সহযোগিতা’ দেওয়ার বিষয়ে রাজি হয়েছেন।

এ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চলতি বছরের মার্চ থেকেই রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মস্কোর নির্দেশনায় এটি পরিচালনা করছেন ইউক্রেনের কর্মীরা। ক্রেমলিন বলছে, ‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য আইএইএ বিশেষজ্ঞদের সেখানে পাঠানো গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন দুই নেতাই।’

জাতিসংঘ পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা, আন্তর্জাতিক অ্যাটমিক এনার্জি অ্যাজেন্সির (আইএইএ) ডিরেক্টর জেনারেল পুতিনের এ বিবৃতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি জানান, ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফরে তিনি নেতৃত্ব দিতে ইচ্ছুক।

রাফায়েল গ্রোসি বলেন, অত্যন্ত পরিবর্তনশীল ও ভঙ্গুর এ পরিস্থিতিতে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত হবে না, যাতে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তার রাতের ভাষণে একটি পরিদর্শনের সম্ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিয়েভ দাবি করেছে, রাশিয়া এ বিদ্যুৎকেন্দ্রকে সেনা ঘাঁটি বানিয়ে ফেলেছে। সেখানে সামরিক সরঞ্জাম, অস্ত্র এবং পাঁচশ’র মতো সেনা অবস্থান করছে। তা ছাড়া একে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিপার নদীর অপর পারের শহরে হামলা চালানো হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির আশপাশ ভারী গোলাবর্ষণের শিকার হয়েছে। যার জন্য একে অপরকে দোষ দিয়ে যাচ্ছে মস্কো ও কিয়েভ। এদিকে, রাশিয়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে জাপোরিজঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে ইউক্রেনের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে একটি চিঠি দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছে ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করার। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, সাম্প্রতিক প্যাকেজের মধ্যে প্রথমবারের মতো মাইন-প্রতিরোধী যানও থাকবে। লড়াই শুরুর পর থেকেই ইউক্রেন পশ্চিমা অস্ত্রের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। যদিও পশ্চিমাদের এ সহায়তার তীব্র বিরোধী মস্কো।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ খবর

spot_img