28 C
Dhaka

দিল্লির জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সফুরার প্রবেশ নিষেধ

সফুরা জারগারকে দিল্লির দাঙ্গায় অভিযুক্ত

প্রকাশিত:

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলনকারী সফুরা জারগারের ভ‌র্তি গত মাসেই বাতিল করেছিল। এবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেই তাঁর প্রবেশ নিষিদ্ধ করল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দিল্লির দাঙ্গায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

‘নো এন্ট্রি’ দিল্লির জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে
‘নো এন্ট্রি’ দিল্লির জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে

কেন তাঁর বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে যে নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে তিনি যে বিক্ষোভ ও মিছিলের আয়োজন করেছিলেন সেদিকে মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

নির্দেশনা আরো বলা হয়েছে, অপ্রাসঙ্গিক ও আপত্তিক ইস্যুতে আন্দোলন ও বিক্ষোভ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট করছেন তিনি। নিরীহ শিক্ষার্থীদের উসকানি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তাই জামিয়া মিলিয়া চত্বরের শান্তি বজায় রাখতে এই প্রাক্তন শিক্ষার্থীর বিশবিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

Safoora Zargar
‘নো এন্ট্রি’ দিল্লির জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে

এর আগে তিনি এম‌ফিল এর জন্য রিসার্চ পেপার জমা দিতে কিছুটা অতিরিক্ত সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর আবেদন গ্রহণে ‘উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে’ দেরি করে কর্তৃপক্ষ। এমন অভিযোগ জানিয়ে তিনি তার টুইটারে অ্যাডমিশন বাতিল হওয়ার নির্দেশিকা পোস্ট করে লেখেন,

সাধারণত শামুকের গতিতে চলা জামিয়া আমার অ্যাডমিশন বাতিল করতে আলোর গতিতে ছুটছে। অ্যাডমিশন বাতিল হওয়ায় তাঁর মন ভাঙলেও মনোবল ভাঙেনি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার রিসার্চ স্কলার তথা সিএএ আন্দোলনের কর্মী সফুরাকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া ছাড়াও দিল্লির পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে হিংসার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ আনে।

‘নো এন্ট্রি’ দিল্লির জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে
‘নো এন্ট্রি’ দিল্লির জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে

গ্রেপ্তারের পর সফুরার বিরুদ্ধে ইউএ‌পিএ আইনে মামলাও দায়ের করা হয়। তিহাড় জেলে বন্দীদশা থেকে জামিনের আবেদন করলেও তা তিন তিন বার খারিজ হয়ে যায় দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টে। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর মানবিকতার খাতিরে ২০২০ সালের জুন মাসে তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ খবর

spot_img