27 C
Dhaka

বিপন্ন প্রজাতির ৪০ শকুন উদ্ধার

প্রকাশিত:

রংপুরে গত ২ বছর ৩ মাসে বিপন্ন প্রজাতির ৪০টি শকুন উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। এসব শুকুনকে পরিচর্যা শেষে দিনাজপুরের সিঙ্গারা ফরেস্টে মুক্ত জীবন দেয়া হয়েছে। এছাড়া অজগর সাপ, লক্ষী পেঁচা, মযুর, সাদাবক, পানকৌড়ি, বনবিড়াল, ঘড়িয়াল, গন্ধগোকূলসহ বিভিন্ন প্রাণী বন বিভাগ উদ্ধার করে ও সেবা-যত্ন করে প্রকৃতিতে ছেড়ে দিয়েছে।

রংপুর বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৪ জুন থেকে ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ১৮টি এবং ২০২১ সালের মে হতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বের পর্যন্ত ২২টি শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪০টি শকুন উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

সর্বশেষ ২ সেপ্টেম্বর নীলফামরীর জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় একটি বিপন্ন প্রজাতির শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। বন বিভাগ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া শকুনটির পরিচর্যা শেষে সিঙ্গারা ফরেস্টে অবমুক্ত করা হবে। এছাড়া রংপুর নগরী থেকে পেঁচা পাখি, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি থেকে একটি মযুর, লালমনিরহাট থেকে অজগর, কালিগঞ্জ থেকে বন বিড়াল, পীরগাছা উপজেলা থেকে সাদা বক ও পানকৌড়ি,

রংপুর নগরী হতে একটি বানর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুরে তারাগঞ্জ থেকে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকটি শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এসব প্রাণীকে চিকিৎসা শেষে মুক্ত প্রকৃতিতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বানরকে রংপুর চিড়িয়াখানায় ময়ুরকে দিনাজপুরের রাম সাগর উদ্যানে দেয়া হয়েছে।

বন বিভাগ জানায়, বাংলাদেশে ছয় প্রজাতির শকুন দেখা যায়। এর মধ্যে চারটি স্থায়ী এবং দুটি পরিযায়ী। এগুলো হলো রাজ শকুন, গ্রিফন শকুন বা ইউরেশীয় শকুন, হিমালয়ী শকুন, সরুঠোঁট শকুন, কালা শকুন ও ধলা শকুন। সব প্রজাতির শকুনই সারা বিশ্বে বিপন্ন। তাই শকুন উদ্ধার হলে তাদের বিশেষ যত্ন নেয়া হয়।

বন বিভাগের রংপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন জানান, গত দুই বছর ৩ মাসে বিপন্ন প্রজাতির ৪০টি শকুন উদ্ধার করে দিনাজপুরের শিঙ্গারা ফরেস্টের রেসকিউ সেন্টারে রাখা হয়। পরে সেগুলোকে আনুষ্ঠানিভাবে মুুক্ত আকাশে ছেড়ে দেয়া হয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ খবর

spot_img