31 C
Dhaka

নারী ব্যাংকারের বিরুদ্ধে ভুয়া পিএইচডির অভিযোগ

প্রকাশিত:

দেশের প্রথম সারির একটি ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধানের বিরুদ্ধে ভুয়া পিএইডির অভিযোগ উঠেছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে ব‌্যাংকটিতে হেড অব হিউম্যান রিসোর্স (মানব সম্পদ বিভাগ) এর প্রধান হিসেবে যোগদান করেন ওই নারী ব্যাংকার।

সম্প্রতি আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশন নামের একটি মানবাধিকার সংস্থার কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ আসার পর বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।

২০০৭ সালে একটি বেসরকারী ব্যাংকে ইন্টার্নশিপ করার মাধ্যমে চাকরিজীবন শুরু করেন অভিযুক্ত ওই নারী ব্যাংকার। ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত আরেকটি বেসরকারী ব্যাংকের এসএমই শাখায় সহযোগী ব্যবস্থাপক হিসেবে চাকরি করেন তিনি। এরপর যোগ দেন আরেকটি বেসরকারী ব্যাংকে।

এরপর আরেকটি বেসরকারি ব্যাংকে যোগদানের আগে সেখানে ট্রেনিং শাখায় চাকরি নেন ওই নারী ব্যাংকার। সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে সবশেষ চাকরি করলেও এক অদৃশ্য ক্ষমতাবলে দুইধাপ পদোন্নতি নিয়ে সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্স ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসএভিপি) হিসেবে সরাসরি ভ্যাংকটিতে যোগ দেন। তার যোগদানের কারণে দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত ব্যাংকটির সাবেক এক উপদেষ্টার আশীর্বাদ ছিল বলে বিশ্বস্ত একটি সূত্র থেকে জানা যায়।

নিজের ব্যাংকিং ক্যারিয়াারে মানব সম্পদ বিভাগে কাজের কোনো অভিজ্ঞতা না থাকার পরও বর্তমানে ব্যাংকটির শীর্ষ পদের এক কর্মকর্তার সঙ্গে বিশেষ সখ্যতার কারণে বিভাগ প্রধানের পদ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওই নারী ব্যাংকারের বিরুদ্ধে। এই মুহূর্তে তাকে ঘিরে ব্যাংক পাড়ায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে যে বিষয়টি নিয়ে তা হলো তার ভুয়া পিএইডি ডিগ্রি। নিজের প্রোফাইলে তিনি উল্লেখ করেছেন, Diversity Management and Affirmative Action Program বিষয়ে তিনি ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে পিএইডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। কিন্তু খোঁজ নিয়ে এর কোনো রকম সত্যতা পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সাউথ ইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম. কামাল হোসেন বলেন, বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তদন্তের মাধ্যমে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ খবর

spot_img