26 C
Dhaka

ভায়াগ্রা আবিষ্কারের নেপথ্যে (ভিডিও)

প্রকাশিত:

ভায়াগ্রা একটি বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় ওষুধ যা পুরুষের যৌন সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়। যৌন সক্ষমতা বাড়াতে ও মিলন দীর্ঘায়িত করতে ভায়াগ্রা বিশেষভাবে কার্যকরী। শুরুতে হৃদরোগের ওষুধ হিসেবে এটি আবিষ্কৃত হলেও খুব বেশি কার্যকর হয়নি। তারপরও গবেষণা চলতে থাকে ওষুধটি নিয়ে।

গবেষণ চালাতে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের বিস্ময়কর এক তথ্য আবিষ্কার করে ফেলেন গবেষকরা। তারা দেখেন, ভায়াগ্রা সেবনে পুরুষের লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এছাড়া দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধানের মধ্য দিয়ে সঙ্গমের স্থায়িত্ব বৃদ্ধিতেও দারুন কার্যকর এটি। ব্যস, সেই থেকে আজ অবধি অগণিত মানুষ অত্যাশ্চর্য ওষুধটি সেবন করে ফিরে পেয়েছেন সুখী যৌনজীবন।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, ভায়াগ্রা ট্যাবলেটের নাম সিলডেনাফিল। যৌন উত্তেজক ওষুধ ভায়াগ্রা সেবন করলে যৌন জীবন আরও উপভোগ্য হয়ে উঠতে পারে। মূলত পুরুষের ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যায় ভায়াগ্রা ব্যবহার করা হয়। ওষুধটি বাজারজাতকরণের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোটি কোটি ডলার আয় করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ওষুধ কোম্পানি ফাইজার।

ভায়াগ্রা বা সিলডেনাফিল সাইট্রেট ওষুধটি পুরুষের ইরেকটাইল ডিসফাংশনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। ভায়াগ্রা সেবনে পুরুষাঙ্গে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। ফলে লিঙ্গের উত্থান ঘটে। ভায়াগ্রার রাসায়নিক উপাদান সিলডেনাফিল সাইট্রেট পুরুষাঙ্গের ধমনীতে রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাই পুরুষের লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যার চিকিৎসায় এর ব্যবহার বহুল জনপ্রিয়।

পুরুষের ইরেকটাইল ডিসফাংশন (লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা) থাকলে ভায়াগ্রা হতে পারে একটি কার্যকরী ওষুধ। সারাবিশ্বের অগণিত পুরুষের লিঙ্গের উত্থান ও যৌন সমস্যা সমাধানে ভায়াগ্রার কার্যকারিতা আশাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

ভায়াগ্রা কার্যকরী ওষুধ হলেও এটি সেবনে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। সাধারণত ভায়াগ্রার ৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেটই ইরেকটাইল ডিসফাংশন সমস্যার সমাধানে যথেষ্ট। কখনোই ১০০ মি.গ্রা. এর বেশি ভায়াগ্রা একসাথে সেবন করা ঠিক না। তাছাড়া ভায়াগ্রা ২৪ ঘন্টা সময়ের ভেতরে একবারের বেশি সেবন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এটি সঙ্গমের এক ঘন্টা আগে সেবন করলে ফল ভালো পাওয়া যায়।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভায়াগ্রা সেবন করা একদম ঠিক নয়। কারণ ভায়াগ্রা ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। রোগীর শরীর ও বয়স অনুযায়ী ভায়াগ্রার মাত্রা নির্ধারণ করতে হয়। তাছাড়া রোগী যদি নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ নিয়মিত সেবন করেন সেক্ষত্রেও ভায়াগ্রা ব্যবহার করা যায় না। অন্যান্য অনেক ওষুধের মতো ভায়াগ্রা ব্যবহারের ফলেও মানবদেহে ভায়াগ্রার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যেমন- দীর্ঘ সময় ধরে লিঙ্গের উত্থান অবস্থা, মাথাব্যথা, সর্দি, চোখ ফুলে ওঠা, শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ইত্যাদি। তবে ভায়াগ্রার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত খুব বেশি সময় দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

সম্পর্কিত সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ

spot_img