31 C
Dhaka

রাজধানীতে হুয়াওয়ের নলেজ শেয়ারিং সেন্টার চালু

প্রকাশিত:

রাজধানী ঢাকায় বিশেষায়িত নলেজ শেয়ারিং সেন্টার চালু করেছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ। নলেজ শেয়ারিং সেন্টারের নাম রাখা হয়েছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি।

হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমিতে আছে অডিও-ভিজ্যুয়াল সাপোর্ট সম্বলিত চারটি জোন। উন্নত সুযোগ-সুবিধাসহ আরও আছে প্রশিক্ষণ রুম, স্টুডিও, গ্রিনরুম (ভিডিও শুটিং/অনলাইন প্রশিক্ষণ/যোগাযোগ), প্রদর্শনী এবং প্রেজেন্টেশন (উপস্থাপন) ও হুয়াওয়ে আইডিয়া হাব।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি সাত হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে। অত্যাধুনিক আইসিটি প্রযুক্তি এবং সল্যুশন, ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স ছাড়াও বিগত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গবেষণা এবং উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের মাধ্যমে হুয়াওয়ে যা অর্জন করেছে সেসব জ্ঞানও এখানে সরকারি কারিগরি কর্মকর্তা, টেলকো অপারেটর, অ্যাকাডেমিশিয়ান, সিএসই/ইইই শিক্ষার্থীসহ সামগ্রিক ইকোসিস্টেম পার্টনারদের কাছে তুলে ধরা হবে।

রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমির উদ্বোধন করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ- বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া।আরও উপস্থিত ছিলেন হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও প্যান জুনফেং, চিফ টেকনিক্যাল অফিসার মাজিয়ানসহ অন্যান্য ঊচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ অব্যাহত রয়েছে। এখন বাংলাদেশ অত্র অঞ্চলের মেধার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। হুয়াওয়ে বাংলাদেশ একাডেমি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে তা হলো বাংলাদেশ অত্র অঞ্চলের ট্যালেন্ট হাবে পরিণত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পেরেছে।

মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, অনেক বছর ধরে গবেষণা এবং উন্নয়নে নিজেদের বিশাল বিনিয়োগের ফলে হুয়াওয়ে অসংখ্য আইসিটি পেটেন্ট ও জ্ঞান অর্জন করেছে। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশে নতুন নতুন প্রযুক্তি এবং সল্যুশন আনার মাধ্যমে হুয়াওয়ে আমাদের টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়নে অবদান রেখে যাচ্ছে। হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমির লক্ষ্যও এর ব্যতিক্রম নয়। আমি হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাই। আমার বিশ্বাস, হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি দেশের আইসিটি খাতের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিইও প্যান জুনফেং বলেন, আমাদের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা ইকোসিস্টেম সহযোগীদের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির জন্য সহায়ক হতে পারে। একটি নলেজ হাব (জ্ঞান অর্জনের কেন্দ্র) হিসেবে পরিণত হবে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি যেখানে নানা অভিজ্ঞতা এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হবে। আমি আশা করি, এটি স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য পূরণে সরকার, আইসিটিখাতের সব সহযোগী, শিক্ষক, ছাত্র, গবেষকসহ সবাইকে এক জায়গায় নিয়ে আসবে।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ খবর

spot_img