26 C
Dhaka

লম্বা চুল দেখে প্রেম, ‘মেঘনা’ ভেবে মেঘনাদকে বিয়ে করলেন যুবক

প্রকাশিত:

যুবক অলোক কুমার মিস্ত্রির সঙ্গে ফেসবুকে আলাপ হয় ওড়িশার কেন্দ্ররাপাড়া জেলার জাম্বু মেরিন থানা এলাকার রামনগর গ্রামের বাসিন্দা মেঘনা মণ্ডলের৷ বেশ কিছুদিন চলল ফেসবুকে কথা৷ এরপরই একে অপরের প্রেমে পড়ে৷ কিন্তু বিয়ের পরেই বেড়িয়ে আসে আসল তথ্য । দেখা যায় নববধূ আসলে এক পুরুষ!

ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার ভদ্রক জেলার। সেখানকার মেঘনা মণ্ডলের সঙ্গে ফেসবুকে আলাপ হয় অলোক কুমার মিস্ত্রির। অলোক উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা। প্রথমে মেসেঞ্জারে শুভেচ্ছা বিনিময় ।

তারপরেই সময় নষ্ট না করে তার নিজ বাড়ি ওড়িশার জাজপুর জেলায় চান্দিখোলে চলে যান অলোক। এদিকে মেঘনাও তাঁর মা-বাবাকে নিজের পছন্দের বিষয়ে জানিয়েছিল। মেঘনার পরিবার ‘পাত্রী’কে নিয়ে আসে। অলোকের মামার বাড়ি বাসুদেবপুরের কাসিয়ায়। সেখানেই পারিবারিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিয়ে হয় অলোক-মেঘনার। এরপর সন্ধ্যায় ছিল প্রীতিভোজের আয়োজন।

কিন্তু সেই অনুষ্ঠানেই ঘটে বিপত্তি। এক আত্মীয় মেঘনাকে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন। আর সেখানেই মুখ ফসকে তাঁকে ‘মেঘনাদ’ বলে ডেকে ফেলেন । আর তাই শুনেই চমকে যান অলোক ও তাঁর পরিবারের। চাপের মুখে ওই মহিলা আত্মীয় জানান, মেঘনা নয়, বধূর আসল নাম মেঘনাদ। সম্পর্কে তার ভাইপো। তাই তিনি ভালো করেই জানেন। এরপরেই অলোকের পরিবার ও স্থানীয়রা চেপে বসেন। মেঘনাদের পোশাক খুলে দেওয়া হয়। রাগের বশে চুলও কেটে দেয় জনতার একাংশ। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে অলোক৷ ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে ক্ষিপ্ত স্থানীয় সহ ছেলের পরিবারের হাত থেকে উদ্ধার করে মেঘনাদকে৷ সবটা জেনেও মেঘনাদকে অলোকের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার ঘটনায় পরিবারের দিকে আঙুল তুলছে৷

এই ঘটনায় অলোক দাবি করে বলেন, আমাদের মেসেঞ্জারেই কথা হতো৷ কখনও ফোনে কথা হয়নি৷ এখানে বিয়ে করতে এসে কনে সাজের মধ্যে বুঝতেই পারিনি৷ বুঝতে পারলে হয়তো এই ভুলটা আমি করতাম না৷

সম্পর্কিত সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ

spot_img