18 C
Dhaka

শিক্ষিকাকে মারধর, শ্লীলতাহানি, হত্যার হুমকি ও মেয়েকে তুলে নেয়ার চেষ্টা

প্রকাশিত:

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে শিক্ষিকাকে মারধর, শ্লীলতাহানি ও হত্যার চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি দেয়া, শিক্ষিকার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী কন্যা সন্তানকে উত্যক্ত করা, তুলে নেয়ার চেষ্টা করা, বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর চালানোর মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলনও করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন করেছেন শিক্ষিকা রোকিয়া আক্তার।

বনগাঁও রেজিঃ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষিকা রোকিয়া আক্তার উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, দুর্গাপুর পৌরশহরের দক্ষিণপাড়া ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ২০ বছর যাবৎ বসবাস করে আসছেন তিনি ও তার পরিবার। তার নিকটতম প্রতিবেশী গিয়াস উদ্দিন এবং শাহজাহান তার জায়গার গাছ কেটে জোর করে দখলে নিয়ে রাস্তা বানিয়ে নেয়। এতে প্রতিবাদ করতে গেলে গিয়াসউদ্দিন এবং শাজাহানসহ বেশ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে শিক্ষিকাকে খুন করার চেষ্টা চালায়। শুধু তাই নয়, বাড়ির সীমানা ও বেড়া ভাংচুর করে তার মেয়েকে তুলে নেয়ারও চেষ্টা চালায়।

পরে তার স্বামী সুলেমান কবির পেছনের দরজা দিয়ে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে প্রথমে স্থানীয় কাউন্সিলর ও পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে প্রতিপক্ষরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। গত জুন মাসে ওই শিক্ষিকাকে রাস্তায় একা পেয়ে মারধর করে শ্লীলতাহানি ঘটানোর চেষ্টা করলে তার স্বামী ৯৯৯ এ কল দিলে দুর্গাপুর থানার এস.আই হান্নান ও আরেকজন কনস্টেবল ঘটনাস্থলে আসেন। এই ঘটনায় প্রথমে থানায় ও পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা রোকিয়া। গত জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে ওই শিক্ষিকাকে থানায় ডেকে নিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে ফেলার পরামর্শ দেয়া হয়।

ভুক্তভোগী মাদ্রাসা শিক্ষিকা রোকিয়া আক্তার সম্প্রতি তার স্বামী এবং ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের জানমালের নিরাপত্তায় চেয়ে এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করে। রোকেয়া বলেন, আমি সাধারণ শিক্ষক। আমার উপর কেন এ নির্যাতন ? আমি এর বিচার চাই। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসন ও সরকারের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি উসমান গনি তালুকদার, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক তাজুল ইসলাম, শিক্ষিকা রোকসানা খাতুন, এলাকাবাসী রতন মিয়া প্রমুখ।

সম্পর্কিত সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ

spot_img