20 C
Dhaka

শ্রীলঙ্কার অবস্থা বাংলাদেশের হবে বলা অনভিপ্রেত : তাজুল ইসলাম

প্রকাশিত:

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, শ্রীলঙ্কার অভ্যন্তরীণ সংকটের সাথে আমাদের দেশের উদাহরণ দেওয়া অনভিপ্রেত অযৌক্তিক এবং বেমানান। শ্রীলঙ্কার নীতিমালা অনুযায়ী নয়, বাংলাদেশ তার নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হয় বলেও মন্তব্য করেন সরকারের প্রভাবশালী এই মন্ত্রী।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স : ইস্যুস অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় ও ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বগুণে দেশে অনেক উন্নত দেশ ও বিদেশি সংস্থা বিনিয়োগ করছে। তাই কোনো দেশ যদি সে দেশের অভ্যন্তরীণ নীতির কারণে অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে এবং একই অবস্থা অন্য একটি দেশের হবে- এটা বলা অনভিপ্রেত ও অযৌক্তিক। এরকম হওয়ার কোনো সম্ভাবনাও নেই।

তাজুল ইসলাম বলেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা’। এই মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য। সরকারের ডেল্টা মহাপরিকল্পনা শুধু কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ নেই এবং থাকবেও না। বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ ও একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে রূপান্তরিত করাই ডেল্টা প্ল্যানের মূল লক্ষ্য। ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নের ফলে আগামী প্রজন্ম একটি উন্নত দেশে পাবে। এই দেশ টেকসই হবে।

তাজুল ইসলাম আরও বলেন, নেদারল্যান্ডসের ব-দ্বীপ পরিকল্পনার আলোকে সেদেশের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনাটি প্রণীত হয়েছে। ডেল্টা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা প্রয়োজন। এ সময় তিনি বিশ্বব্যাংক, এডিবি এবং জাইকাসহ উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে পাশে থাকার আহ্বান জানান।

তাজুল ইসলাম জানান, ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নেদারল্যান্ডস সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মধ্যে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওই লেটার অব ইনটেন্টের মাধ্যমে ডাচ সরকার জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের রাউজান এবং যশোরের কেশবপুর পৌরসভায় পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে শতাধিক পৌরসভায় জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করা হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ

spot_img

সর্বশেষ সংবাদ

spot_img