27 C
Dhaka

সাঁতারের পোশাক পরা ছবি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

প্রকাশিত:

সাঁতারের পোশাক পরা ছবি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়ায় কারণে সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়। এর প্রতিবাদে অনেক নারী সাঁতারের পোশাক পরে ছবি পোস্ট করছেন। প্রতিবাদী নারীরা বিভিন্ন হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করছেন নারী স্বাধীনতার স্বপক্ষে।

ওই শিক্ষিকার অভিযোগ, সাঁতারের পোশাক পরা একটি ছবি তার সামাজিক মাধ্যমে ছিল। সেটি দেখে এক ছাত্রর পরিবার অভিযোগ করায় তাকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়। খবর বিবিসির।

ওই শিক্ষিকা স্থানীয় একটি গণমাধ্যমে বলেন, ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তিনি সাঁতারের পোশাক পরা একটি ছবি দিয়েছিলেন। তার অ্যাকাউন্টটি ‘প্রাইভেট’ করা আছে। তাই সেখানে যে কেউ তার ছবি দেখতে পারে না। তার দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার অনুমতি না নিয়ে ওই ছবির প্রিন্ট আউট নেয় এবং তার সামনেই শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্যদের দেখানো হয় সেটি।

এর প্রতিবাদে ফেসবুকে নিজের সাঁতারের পোশাক পরা ছবি পোস্ট করেছেন অদিতি রায়। ‘টেক দ্যাট জেভিয়ার্স’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে তিনি ছবিটি পোস্ট করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সমুদ্রে স্নান করার ছবি ওটা, আর সেখানে ওই পোশাকেই নামা উচিত বলে মনে হয়। আর ছবিটা দিয়ে আমি আমার প্রতিবাদটা জানালাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘যা ঘটেছে সেন্ট জেভিয়ার্সে, তা একটা ঘৃণ্য ঘটনা। একজন শিক্ষিকা তার ব্যক্তিগত জীবনে কী করছেন, সেটা তো তার ব্যক্তিগত পরিসর। সেখানে ঢুকে পরে কোনও ছাত্র যদি শিক্ষিকার ছবি দেখে উত্তেজিত হয়, তাহলে দোষটা তো সেই ছাত্রের। এইসব ছাত্ররা বড় হয়ে তার বান্ধবী বা স্ত্রীকে নির্দেশ দিতে থাকবে যে কী পরতে হবে। ছোট পোশাক পরা মেয়েদের দেখলে এধরনের ছেলেদের মনেই ধর্ষণের ইচ্ছা জাগে।’

অনেকে যেমন নিজে সাঁতারের পোশাক পরে ছবি দিচ্ছেন, তেমন আবার অনলাইনে চিঠি লিখেও প্রতিবাদ করছেন।

অনুরাধা রায় বলেন, ‘আমরা আসলে ছেলেদের সংবেদনশীল হওয়ার শিক্ষাটা দিই না। শিক্ষা আমরা মেয়েদের দিই যে তুমি এটা করবে, এটা করবে না। অথচ ছেলেদের এটা বোঝাই না তুমি কোনটা করবে না। ওই ছাত্রের বাবা মায়ের এটা তাকে বোঝানো উচিত ছিল যে পড়াশোনার বিষয়ের বাইরে গোপনে কোনও শিক্ষিকার ছবি দেখাটা অনুচিত। আর তার ভিত্তিতে শিক্ষিকাকে জাজ করো না এটা বলা উচিত ছিল তাদের।’

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ খবর

spot_img