30 C
Dhaka

‘হাওয়া’ সিনেমার পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

প্রকাশিত:

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ লংঘনের অভিযোগে আলোচিত চলচ্চিত্র ‘হাওয়া’র পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেছে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট।

বুধবার ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই আবেদন করা হয়। বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নারগিস সুলতানা বাদী হয়ে আবেদনটি করেন। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের ওয়াইল্ডলাইফ ইন্সপেক্টর অসীম মল্লিক সমকালকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মামলার আবেদনে ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। তবে আদালত আবেদন গ্রহণ করে তদন্তের জন্য কোনো আদেশ দেননি। এ বিষয়ে আগামী সপ্তাহে আদেশ হতে পারে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার আবেদনে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ এর ধারা ৩৮ (১-২), ৪১ ও ৪৬ লংঘন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে তিনজনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এরা হলেন, তদন্ত কমিটিতে কাজ করা আব্দুল্লাহ আস সাদিক, অসীম মল্লিক ও রথিন্দ্র কুমার বিশ্বাস।

গত ২৯ জুলাই হাওয়া চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। মুক্তির পর একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত চলচ্চিত্রটির রিভিউতে জানানো হয়, এই চলচ্চিত্রে একটি পাখিকে হত্যা করে চিবিয়ে খেয়েছেন চান মাঝির চরিত্রে অভিনয় করা চঞ্চল চৌধুরী।

রিভিউ প্রকাশের পর হাওয়া চলচ্চিত্রে একটি শালিক পাখিকে খাঁচায় আটকে রাখা ও এক পর্যায়ে হত্যা করে খাওয়ার দৃশ্য দেখানোর মাধ্যমে বন্যপ্রাণী আইন লংঘন হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন অনেকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ আগস্ট এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দেয় ও দেশে পরিবেশ ও প্রকৃতি নিয়ে কাজ করা ৩৩টি সংগঠনের সমন্বিত প্রয়াস বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোট (বিএনসিএ)।

এর পরদিন গ্রেক্ষাগৃহে গিয়ে চলচ্চিত্রটি দেখে আইন লংঘনের প্রমাণ মিলেছে বলে জানান বন অধিদপ্তরের গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা।

সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেডের অধীনে প্রযোজিত এবং ফেসকার্ড প্রোডাকশনের অধীনে নির্মিত ‘হাওয়া’ সিনেমায় চঞ্চল চৌধুরী ছাড়াও অভিনয় করেছেন, নাজিফা তুষি, শরিফুল রাজ, সুমন আনোয়ার, সোহেল মণ্ডল, নাসির উদ্দিন খান, রিজভী রিজু প্রমুখ।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ খবর

spot_img